ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে। ১২টি স্কুলের অন্তত ৫০ জন শিক্ষকের এসব প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমান মিলেছে। এই শিক্ষকরা এখন ‘গোয়েন্দা জালে’ রয়েছেন।
৮ এপ্রিল শনিবার দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের অর্ধশত শিক্ষক গোয়েন্দা জালে’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
নজরদারির পর উপযুক্ত তথ্য প্রমান পেলেই তাদেরকে আটক করে মুখোশ উন্মোচন করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন শাখার উপ-কমিশনার মাসুদুর রহমান। এ ঘটনার তদন্তের অগ্রগতির তথ্য জানিয়ে তিনি বলেন,‘আমরা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত বেশ কিছু শিক্ষক ও কোচিং সেন্টারের নাম পেয়েছি। তথ্যগুলো যাচাই করা হচ্ছে।’
প্রতিবেদন থেকে আরও জানা গেছে, গত ২৮ মার্চ রাজধানী ও আশুলিয়ায় অভিযান চালিয়ে ডিবি পুলিশ একজন অধ্যক্ষসহ ১১জনকে গ্রেফতার করে। এদের মধ্যে আশুলিয়ার এ এম গাজীর চক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মোজাফফর হোসেন, একই কলেজের শিক্ষক আতিকুল ইসলাম, অফিস সহকারী আব্দুল মজিদ, ছাত্র আরিফ হোসেন আকাশ ওরফে আদু ভাই, রাকিব হোসেন সাইদুর রহমান ও তানভীর হোসেন এবং টঙ্গীর কোনিয়া কোচিং সেন্টারের শিক্ষক হামিদুর রহমান ওরফে তুহিন, উত্তরার সৃষ্টি সেন্ট্রাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গণিত শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম ও কমলাপুর শের-ই-বাংলা রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিষয়ক শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম ইতিমধ্যে প্রশ্নপত্র ফাঁস করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ‘স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি’ দিয়েছেন। আর এসব জবানবন্দিতে বেরিয়ে এসেছে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের রাঘব বোয়ালদের নাম। জবানবন্দিতে অন্তত ৫০ জন শিক্ষকের নাম এসেছে যারা সরাসরি প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত। শিক্ষকরা সকালে প্রশ্নপত্র পেয়েই অভিভাবকদের কাছে ‘ভাইবার’ এর মাধ্যমে পাঠিয়ে দেন। একই ভাবে ১৫টি কোচিং সেন্টারের মালিকদের কাছে ছবি আকারে প্রশ্নপত্র পাঠানো হয়।
এ ব্যাপারে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের কয়েকজন সদস্যকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই চক্রের আরও বেশ কিছু সদস্য রয়েছেন। এরা ভূয়া প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছেন কিনা-তা তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে নিশ্চিত হলেই তাদেরকে আটক করা হবে।’
৮ এপ্রিল শনিবার দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের অর্ধশত শিক্ষক গোয়েন্দা জালে’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
নজরদারির পর উপযুক্ত তথ্য প্রমান পেলেই তাদেরকে আটক করে মুখোশ উন্মোচন করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন শাখার উপ-কমিশনার মাসুদুর রহমান। এ ঘটনার তদন্তের অগ্রগতির তথ্য জানিয়ে তিনি বলেন,‘আমরা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত বেশ কিছু শিক্ষক ও কোচিং সেন্টারের নাম পেয়েছি। তথ্যগুলো যাচাই করা হচ্ছে।’
প্রতিবেদন থেকে আরও জানা গেছে, গত ২৮ মার্চ রাজধানী ও আশুলিয়ায় অভিযান চালিয়ে ডিবি পুলিশ একজন অধ্যক্ষসহ ১১জনকে গ্রেফতার করে। এদের মধ্যে আশুলিয়ার এ এম গাজীর চক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মোজাফফর হোসেন, একই কলেজের শিক্ষক আতিকুল ইসলাম, অফিস সহকারী আব্দুল মজিদ, ছাত্র আরিফ হোসেন আকাশ ওরফে আদু ভাই, রাকিব হোসেন সাইদুর রহমান ও তানভীর হোসেন এবং টঙ্গীর কোনিয়া কোচিং সেন্টারের শিক্ষক হামিদুর রহমান ওরফে তুহিন, উত্তরার সৃষ্টি সেন্ট্রাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গণিত শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম ও কমলাপুর শের-ই-বাংলা রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিষয়ক শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম ইতিমধ্যে প্রশ্নপত্র ফাঁস করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ‘স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি’ দিয়েছেন। আর এসব জবানবন্দিতে বেরিয়ে এসেছে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের রাঘব বোয়ালদের নাম। জবানবন্দিতে অন্তত ৫০ জন শিক্ষকের নাম এসেছে যারা সরাসরি প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত। শিক্ষকরা সকালে প্রশ্নপত্র পেয়েই অভিভাবকদের কাছে ‘ভাইবার’ এর মাধ্যমে পাঠিয়ে দেন। একই ভাবে ১৫টি কোচিং সেন্টারের মালিকদের কাছে ছবি আকারে প্রশ্নপত্র পাঠানো হয়।
এ ব্যাপারে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের কয়েকজন সদস্যকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই চক্রের আরও বেশ কিছু সদস্য রয়েছেন। এরা ভূয়া প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছেন কিনা-তা তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে নিশ্চিত হলেই তাদেরকে আটক করা হবে।’
