পিঠে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার লাগিয়ে ৩৬ দিন আগে সুন্দরবনে ছেড়ে দেওয়া মহাবিপন্ন বাটাগুর বাসকা প্রজাতির একটি কচ্ছপ নিয়ে আলোড়ন তৈরি হয়েছে সাতক্ষীরার তালা উপজেলায়।
তালার খেশরা ইউনিয়নের বাসিন্দা শেখ ওহাব উদ্দিন সোমবার সকাল ৮টার দিকে পাখিমারা বিলে ১৫ কেজি ওজনের কচ্ছপটি পান। তিনি সেটি বিক্রির আশায় শ্রীমন্তকাটি নতুন বাজার মৎস্য আড়তে নিয়ে গেলে কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়।
কচ্ছপের পিঠে অ্যান্টেনা লাগানো থাকায় দ্রুত সে খবর ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে খবর যায় খেশরা পুলিশ ফাঁড়িতে।
খেশরা পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বে থাকা উপ-পরিদর্শক মাজেদ হাওলাদার কী করবেন বুঝতে না পেরে কচ্ছপটি পাঠান তালা থানায়। সেখান থেকে তালা থানার ওসি মো. হাসান হাফিজুর রহমান যোগাযোগ করেন বনবিভাগের সঙ্গে।
এদিকে কচ্ছপের পিঠের অ্যান্টেনা নিয়ে ততক্ষণে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদও প্রকাশিত হয়।
যে ধাতব ডিভাইসের ওপর অ্যান্টেনাটি ছিল, সেখানে একটি স্টিকারে লেখা ছিল- ID 165337-PO 2791, PROJECT-BATAGUR-BASKA, VIENNA-ZOO, BANGLADESH-2016, STRTRACK.
ওই তথ্য ধরে খোঁজ করতে গিয়ে জানা যায়, মহাবিপন্ন বাটাগুর বাসকা প্রজাতির কচ্ছপ রক্ষায় পরিচালিত এক প্রকল্পের আওতায় গত ৫ ফেব্রুয়ারি যে দুটি কচ্ছপ ট্রান্সমিটার বেঁধে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল, এটি তারই একটি।
বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির প্রধান নির্বাহী মো. মাকসুদুর রহমান জানান, সাত বছর আগে কানাডার ডব্লিউডব্লিউএফ, টার্টল সারভাইভাল অ্যালায়েন্স, অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা জু ও প্রকৃতি জীবন ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় বাংলাদেশ বনবিভাগ এ প্রকল্প শুরু করে। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের পর সুন্দরবনের করমজলে বাটাগুর বাসকার প্রজননে সাফল্যও পাওয়া গেছে।
বন বিভাগের বন সংরক্ষক (বন্যপ্রাণী) মো. জাহিদুল কবির বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এক সময় সুন্দরবনের বাদাবন এই প্রজাতির কচ্ছপের আবাসস্থল ছিল। কিন্তু ওই এলাকার উন্মুক্ত প্রকৃতিতে দীর্ঘদিন বাটাগুর বাসকার বিচরণ চোখে পড়েনি।
এ প্রজাতির কচ্ছপের জীবনচারণ ও প্রজনন সম্পর্কে ধারণা পেতে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার বসিয়ে দুটি পুরুষ কচ্ছপ উন্মুক্ত প্রকৃতিতে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
এর অংশ হিসেবেই গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুন্দরবনসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের মোহনার আদাচাই এলাকায় শিবসা নদী ক্যাম্প এলাকা থেকে মুক্ত করে দেওয়া হয় কচ্ছপ দুটি।
এ প্রকল্পের ভাওয়াল স্টেশনের ম্যানেজার মোরশেদ আহমেদ জানান, স্যাটেলাইট ট্রান্সমিশনের জন্য কচ্ছপ দুটির পিঠে যে ডিভাইসটি বসানো হয়েছে সেগুলোর ওজন ৫০০ গ্রামের মত। ব্যাটারির মেয়াদ এক বছর।
তিনি জানান, পানির নিচে থাকলে কচ্ছপগুলোর কাছ থেকে সিগন্যাল পাওয়া যায় না। সেগুলো পানির উপরে থাকলে অবস্থান সনাক্ত করা যায়। এর মাধ্যমে সরাসরি ভিয়েনা থেকেও কচ্ছপগুলোর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হয়।
স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার পিঠে এই অভিযাত্রার মধ্যেই একটি কচ্ছপ সোমবার ধরা পড়ে সুন্দরবন থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে তালা উপজেলার পাখিমারা বিলে।
বন বিভাগের খুলনা অঞ্চলের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষক সাজেদুল হাসান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, সাতক্ষীরা থেকে খবর পেয়ে তাদের একটি দল বিকালে তালা থাকায় গিয়ে কচ্ছপটি নিয়ে এসেছে। সেটি আবার প্রকল্প কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
তালার খেশরা ইউনিয়নের বাসিন্দা শেখ ওহাব উদ্দিন সোমবার সকাল ৮টার দিকে পাখিমারা বিলে ১৫ কেজি ওজনের কচ্ছপটি পান। তিনি সেটি বিক্রির আশায় শ্রীমন্তকাটি নতুন বাজার মৎস্য আড়তে নিয়ে গেলে কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়।
কচ্ছপের পিঠে অ্যান্টেনা লাগানো থাকায় দ্রুত সে খবর ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে খবর যায় খেশরা পুলিশ ফাঁড়িতে।
খেশরা পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বে থাকা উপ-পরিদর্শক মাজেদ হাওলাদার কী করবেন বুঝতে না পেরে কচ্ছপটি পাঠান তালা থানায়। সেখান থেকে তালা থানার ওসি মো. হাসান হাফিজুর রহমান যোগাযোগ করেন বনবিভাগের সঙ্গে।
এদিকে কচ্ছপের পিঠের অ্যান্টেনা নিয়ে ততক্ষণে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদও প্রকাশিত হয়।
যে ধাতব ডিভাইসের ওপর অ্যান্টেনাটি ছিল, সেখানে একটি স্টিকারে লেখা ছিল- ID 165337-PO 2791, PROJECT-BATAGUR-BASKA, VIENNA-ZOO, BANGLADESH-2016, STRTRACK.
ওই তথ্য ধরে খোঁজ করতে গিয়ে জানা যায়, মহাবিপন্ন বাটাগুর বাসকা প্রজাতির কচ্ছপ রক্ষায় পরিচালিত এক প্রকল্পের আওতায় গত ৫ ফেব্রুয়ারি যে দুটি কচ্ছপ ট্রান্সমিটার বেঁধে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল, এটি তারই একটি।
বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির প্রধান নির্বাহী মো. মাকসুদুর রহমান জানান, সাত বছর আগে কানাডার ডব্লিউডব্লিউএফ, টার্টল সারভাইভাল অ্যালায়েন্স, অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা জু ও প্রকৃতি জীবন ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় বাংলাদেশ বনবিভাগ এ প্রকল্প শুরু করে। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের পর সুন্দরবনের করমজলে বাটাগুর বাসকার প্রজননে সাফল্যও পাওয়া গেছে।
বন বিভাগের বন সংরক্ষক (বন্যপ্রাণী) মো. জাহিদুল কবির বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এক সময় সুন্দরবনের বাদাবন এই প্রজাতির কচ্ছপের আবাসস্থল ছিল। কিন্তু ওই এলাকার উন্মুক্ত প্রকৃতিতে দীর্ঘদিন বাটাগুর বাসকার বিচরণ চোখে পড়েনি।
এ প্রজাতির কচ্ছপের জীবনচারণ ও প্রজনন সম্পর্কে ধারণা পেতে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার বসিয়ে দুটি পুরুষ কচ্ছপ উন্মুক্ত প্রকৃতিতে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
এর অংশ হিসেবেই গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুন্দরবনসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের মোহনার আদাচাই এলাকায় শিবসা নদী ক্যাম্প এলাকা থেকে মুক্ত করে দেওয়া হয় কচ্ছপ দুটি।
এ প্রকল্পের ভাওয়াল স্টেশনের ম্যানেজার মোরশেদ আহমেদ জানান, স্যাটেলাইট ট্রান্সমিশনের জন্য কচ্ছপ দুটির পিঠে যে ডিভাইসটি বসানো হয়েছে সেগুলোর ওজন ৫০০ গ্রামের মত। ব্যাটারির মেয়াদ এক বছর।
তিনি জানান, পানির নিচে থাকলে কচ্ছপগুলোর কাছ থেকে সিগন্যাল পাওয়া যায় না। সেগুলো পানির উপরে থাকলে অবস্থান সনাক্ত করা যায়। এর মাধ্যমে সরাসরি ভিয়েনা থেকেও কচ্ছপগুলোর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হয়।
স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার পিঠে এই অভিযাত্রার মধ্যেই একটি কচ্ছপ সোমবার ধরা পড়ে সুন্দরবন থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে তালা উপজেলার পাখিমারা বিলে।
বন বিভাগের খুলনা অঞ্চলের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষক সাজেদুল হাসান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, সাতক্ষীরা থেকে খবর পেয়ে তাদের একটি দল বিকালে তালা থাকায় গিয়ে কচ্ছপটি নিয়ে এসেছে। সেটি আবার প্রকল্প কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
