রাজধানীজুড়ে যে ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হয়েছে বা পরিকল্পনায় আছে তার সব কটিরই প্রকল্পব্যয় আকাশচুম্বী। সাধারণ মানুষের যানজট যন্ত্রণাকে পুঁজি করে নেওয়া এসব প্রকল্পের কোনোটিই নির্দিষ্ট সময়ে শেষ হচ্ছে না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে লেগে যায় প্রথমে বেঁধে দেওয়া সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ কখনো বা তারও বেশি। কাজের সময় বাড়ানোর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে ব্যয়ও। শেষ পর্যন্ত সড়ক-সেতুতে যে ব্যয় হয় তা এশিয়ার অন্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, ভারত, চীন, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কার মতো দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশে দ্বিগুণ বা তারও বেশি ব্যয়ে ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হচ্ছে। উড়াল অবকাঠামো নির্মাণে একেবারেই অনভিজ্ঞ সরকারি সংস্থাগুলো যেনতেনভাবে সম্ভাব্যতা যাচাই করিয়ে নেয়। আগে থেকে পরিকল্পনা না নিয়ে হঠাৎ করে রাজনৈতিক চাপেও প্রকল্প নেওয়া হয়। ভুল নকশায় কাজ শুরু করে পরে নকশা প্রণেতাকেই খুঁজে না পাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। কাজ শুরুর পর প্রকল্পের দৈর্ঘ্য বাড়িয়েও ব্যয় বাড়ানো হয়। শেষ পর্যন্ত এসব ফ্লাইওভারে যে খরচ দাঁড়ায় তা এশিয়ার যেকোনো দেশের তুলনায় অনেক বেশি।
